গরীব-গুর্বো দেশে খুব কম খরচে ম্যাক্রো ফটোগ্রাফি করার সুলুক-সন্ধান দিয়ে চলেছে সৈকত - আজ তার তৃতীয় কিস্তি; আজ জানা যাবে এক্সটেনশন টিউবের ব্যবহার (যা দিয়ে আগের কিস্তির ছবিগুলো তোলা) আর একটা মজার পরামর্শ... সঙ্গে অন্য কায়দায় তোলা বেশ কিছু ছবি

Honey, I Shrunk the Pics! (3) -- Saikat

এর আগের পোস্টে extension tube ব্যবহার করে তোলা কিছু ছবি আপনারা দেখেছেন। কিভাবে extension tube দিয়ে ম্যাক্রো ফোটোগ্রাফি করতে হয় সেটা বলার আগে অ্যাপারচার লিভার-এর ব্যাপারটা একটু বলে নেওয়া ভালো। এই লিভারটির কাজ হলো লেন্স অ্যাপারচারকে এর নির্বাচিত F-number এ খুলে রাখা। লিভার টি একটা স্প্রিং দিয়ে অ্যাপারচার এর সাথে যুক্ত এবং ক্যামেরা বডির ইলেকট্রনিক অ্যাটাচমেন্ট দিয়ে নিয়ন্ত্রিত হয়। কিন্তু রিভার্স লেন্স টেকনিক ব্যবহার করলে(অর্থাৎ কিনা, লেন্সকে উলটো করে ঘুরিয়ে ক্যামেরায় লাগালে) ইলেকট্রনিক লিঙ্ক বিচ্ছিন্ন হয় এবং অ্যাপারচার পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে depth of field খুব বেশি হলেও আলো প্রায় না ঢোকায় ছবি কমপোজ করা যায় না(প্রায় অন্ধকারে ছবির বিষয়কে দেখতেই পাওয়া যায় না- দেখা না গেলে ছবি তুলবেন কি করে)। এই অসুবিধে দূর করার জন্য একটা শক্ত কাগজ কেটে নীচের ছবির মতো করে ব্যবহার করলে মুশকিল আসান। তবে এই উপায়টা Nikkor G-type লেন্সের জন্য। Nikkor D-type লেন্সে অ্যাপারচার রিং থাকে।



এবার তাহলে আগের পোস্টের ছবি গুলো কীভাবে তুলেছি সেটার গল্প করি। প্রথমেই বলে নিই কি কি লাগবে:

নামান্তর -- নির্মাল্য

অনেকদিন আগে, যখন বিজ্ঞান মাথাটাকে পুরোটা মুড়িয়ে খায়নি, মানে যখন পুরনো বাড়ির কার্নিশে ভুতের সাদা কাপড় দেখে ভয় পাওয়ার আনন্দটুকু পেতাম, তখন ক্লাস সেভেন-এর সদ্য গোঁফ ওঠা ‘বড়’ দাদা প্রশ্ন করেছিল, “আচ্ছা, বলত, এমন কি জিনিস, যা ছোট-বড়, জ্যান্ত-মরা, প্রাণী-ভুত সব্বার আছে?” গোল গোল চোখে আকাশের দিকে তাকিয়ে থেকেও এরকম সার্বজনীন সম্পত্তির কোন পাত্তা পাই নি। পাড়াতুতো দাদা বিজ্ঞের মত মাথা নেড়ে জানিয়ে দিয়েছিল, সেই বস্তুটি আর কিছুই নয়, সেটি হল “নাম”। সত্যিই তো এটা মনে এল না! সেদিন বুঝলাম ক্লাস সেভেনে উঠলে সত্যিই পণ্ডিত হয়ে ওঠা যায়। তারপর থেকে আজ অবধিও এই ব্যাপারটার তেমন কোন ব্যতিক্রম চোখে পড়ে নি। “প্রাচীরের গাত্রে” “নামগোত্রহীন” ফুলের পরিচয় জমিদার বাড়িতে বসে হয়তো পাওয়া যায়নি, কিন্তু গ্রামে-গঞ্জে ছড়িয়ে থাকা ফচকে ছেলের কাছে ফুলটা বোধহয় অতটাও অখ্যাত নয়। যাই হোক, ধান ভানতে গিয়ে শিবের উদ্দেশ্যে দু’চার কলি গেয়ে নিতে আমার মোটেই ভাল লাগে না। কিন্তু নাম ব্যাপারটা নিয়ে দু’চার কথা বলতে পেলে মন্দ হয় না।

প্রাচীন সংস্কৃত, ল্যাটিন, গ্রীক প্রায় সব ভাষাতেই “নাম” শব্দের মূলটি মোটামুটি একই। তবে প্রাচ্যে “নাম” তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি সংবেদনশীল এবং বহুমাত্রিক। আপনার নিশ্চয় মনে আছে,

চ্যাপলিন-চরিত -- সুশোভন



আকাশের গায়ে কেমন চাপ চাপ নিস্তব্ধতা। এক টুকরো মধ্য কলকাতা আলসেমি ভরা উদাসী  দুপুর। গলির গলি তস্য গলি পেরিয়ে গন্তব্য তিন নম্বর বেডফোর্ড স্ট্রিট।

মাত্র ছফুট-থেকে আট ফুট চওড়া রাস্তা। অগুনতি ঠেলা, রিকশা, আর স্কুল ফেরত বাচ্চারা পাশাপাশি ঠেলাঠেলি করে চলেছে। ঘিঞ্জি রাস্তার দু’ধারে সার দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে ভাঙাচোরা দোতলা বাড়িরা। রাস্তার ধারে কর্পোরেশনের কলে মত্ত জল কেলি করছে একদল উলঙ্গ শিশু।
একটা বাড়ির দাওয়ায় ঘুমে ঢুলু ঢুলু এক মহিলা বসে ছিলেন। তাঁকেই প্রশ্ন করলাম-
“সেলিমের বাড়িটা এই দিকেই তো?” ঘুম জড়ানো চোখেই সেলিমের বাড়ির রাস্তা দেখিয়ে দেন তিনি। সেই রাস্তার দিকে পা বাড়িয়েছি, মহিলাটি পিছন থেকে বলে ওঠেন, “সিরিফ সেলিম বোলা কিউ? সেলিম জোকারওয়ালা বলুন।
ঠিকই তো! সেলিমরা তো জোকারওয়ালাই!

পাঠক মশাই কলকাতার প্রাণকেন্দ্রে জোকারদের দেশে আপনাকে স্বাগত।

দশ ফুট বাই দশ ফুট ঘরের দেওয়ালের রং সবুজ। সেখানেই বিকেলের প্রার্থনা সারছেন জোকারদের এই বাড়িটি যিনি গড়ে তুলেছেন সেই সেলিম। প্রার্থনা শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষায় ছিলাম। একটুখানি সময়। সেলিম তাও ক্ষমা চেয়ে নিলেন। আরও মিনিট পাঁচেক সময় লাগবে তাঁর প্রার্থনা সারতে।
কে এই সেলিম?

পিয়ানো-ওয়ালা -- সুনন্দ


পলের বাবা-মা ওর ছোটবেলায় ওকে অন্য অনেকের মতোই পিয়ানো শিখতে বাধ্য করেছিলেন। সে বয়সে কি আর অত শান্ত সুর ভাল লাগে? নিয়ম করে রেওয়াজই বা কাঁহাতক সহ্য হয়! তাই সে চেষ্টা বৃথা গেল। বেশ খানিকটা বড় হয়ে, নানা ঘাটের জল খেয়ে, নিজের দেশ উটায় ফেরত আসার আগে নতুন করে প্রেমে পড়তে হলো- ডিজিটাল পিয়ানোর প্রেম। নেহাত শখেই পিয়ানো, আর তার নানা ঘুপচি খবর জেনে ফেললো পল। তবে আমাদের অনেকের মতোই সে সব জানা ওর কোন কাজে লাগেনি। দেশে ফিরে ও কাজ নিলো এক পানীয় জল সরবরাহ করে, এমন সংস্থায়।

ওর যাতায়াতের রাস্তায় একটা ইয়ামাহা পিয়ানোর দোকান পড়ে। সেখানে জল পৌঁছে দিয়ে একদিন ও বসে নতুন ক্ল্যাভিনোভা ডিজিটাল পিয়ানোয় টুংটাং করছিল, এমন সময় এক ভদ্রলোক দোকানের দরজা খুলে ভেতরে এসে ওকে জিজ্ঞেস করলেন এই যন্ত্রটা কি?(আহা, আমাদের সঙ্গে এরকম হয়না কেন! মাঝেমাঝে মনে হয় না, যে বিষয়ে গুচ্ছের জেনে গেছেন, যেটা খুব বেশি ভালবাসেন, তা নিয়ে কেন কেউ একটাও প্রশ্ন করেনা?) লাফিয়ে-ঝাঁপিয়ে পল দেখাতে শুরু করলো ক্ল্যাভিনোভা ঠিক কি আর কত মজার কাজ করতে পারে। কিছুটা যন্ত্রের গুণে, আর বেশ খানিকটা ওর ছোঁয়াচে উৎসাহে উৎসাহিত হয়ে ভদ্রলোক কিনেই ফেললেন জিনিসটা। মনে রাখবেন, দেশটা আমেরিকা হলেও আর যন্ত্র ডিজিটাল হলেও- একখানা পিয়ানো বেচে ফেলা কিন্তু চাড্ডিখানি কথা নয়! দোকানের মালিক যারপরনাই খুশি হয়ে পলকে দোকানে চাকরির প্রস্তাব দিলেন আর পলও এককথায় রাজি হয়ে গেল!
রাজি হওয়ার কারণ আছে। ওই দোকানেই এক সোনালি চুলের কন্যে কাজ করেন- যার সঙ্গে দু-দণ্ড আলাপ করার ইচ্ছে পলের অনেকদিনের।

ধুন -- পণ্ডিত সুররঞ্জন



মধুবন্তী (আলাপ ও জোড়)-- D.Madhusudan

রাগ:  মধুবন্তী (আলাপ ও জোড়)
যন্ত্র:   বাঁশি
বাজিয়েছেন:  শ্রদ্ধেয় মধুদা (D. Madhusudan)
  •  Play করার পর Audio লোড হতে একটু সময় (১০-১৫ সেকেন্ড মত) লাগতে পারে।
       

দশা -- আগন্তুক


ভারত আবার সম্মুখ সমরে। আজ্ঞে না, default শত্রু পাকিস্তানের মুখোমুখি নয়। ইতালীর সঙ্গে
মনোমালিন্য হয়েছে দিল্লীর। সুযোগ বুঝে পদ্মফুল কাঁটা ফুটিয়েছে- ম্যাডামের বাপের বাড়ি বলে কি সাত খুন মাফ? কুত্রোচ্চি কাণ্ডের দুঃস্বপ্ন এখনো ভোলেনি ১০ জনপথ। কাজেই পত্রপাঠ ইতালীয় রাষ্ট্রদূত নজরবন্দী এবং ফলতঃ গুটিগুটি পায়ে ইতালীর আত্মসমর্পণ। মুখরক্ষা হল দেশের এবং অবশ্যই দেশের রাজবংশের।


তামিল বধের শাস্তি চাই-তামিলনাড়ুর হুঙ্কার। ওরে ওসব কূটনীতি ভাই-অপারগ এই সরকার। দিল্লী নাহয় চুপটি থাকল, আমরা তো নই বাচ্চা। সমর্থনটি ফিরিয়ে নিলেই শিক্ষা হবে আচ্ছা। কাঁচকলা হবে, থোড়াই কেয়ার-মনমোহিনী উত্তর। সি বি আই দিয়ে Tight দিয়েছি মুলায়ম সহ পুত্তর। গদিতে এখন No ঝঞ্ঝট-বলেই দিলুম স্পষ্ট। অমন দিদিকে সামলে দিলুম কিসের আবার কষ্ট?


নামটি তাহার আই পি এল - ক্রিকেট তো নয়, দৈব খেল। বাদশা আছেন, দিদিও আছেন, আছেন
করুণানিধি- সুপারহিট তো হবেই গুরু, যত বাম হোক বিধি। ঘটা করে হল উদ্বোধন-যুবভারতীর ক্রীড়াঙ্গন। আরাবুল নাম স্মরণ করালো অভ্যাগত পিট-বুল। লক্ষ জনতা শরীর দোলালো-সঙ্ঘবদ্ধ ঘাসফুল। গেল বচ্ছর কাপ জিতেছিনু-ভুলে গেলি তোরা বেইমান! সাধেই কি আর বাঙালি বলেছে-এক নম্বর শয়তান!


চৈত্রের শুরু থেকেই মারাত্মক তপ্ত আবহাওয়া। প্রকৃতিকে হার মানালেন মীরা-মমতায়। রাজভবন থেকে ওড়ানো সাদা পায়রা ডানা ঝাপটে Finish। বিচারালয়ে নির্বাচন। Focus সন্ধানী পঞ্চায়েতমন্ত্রী কিছু অন্ততঃ কাজ পেলেন। অন্যথাঃ মুখ্যমন্ত্রীই এই সরকারের সব মন্ত্রকের প্রকৃত মন্ত্রী-একথা কে না জানে। বাঙালির হেলদোল নেই। অ্যাকাডেমির বদলে টিভিতেই নাটক দেখতে পেলে মন্দ কি! হাজার হোক সংস্কৃতিমনস্ক জাতি বলে কথা!

স্বপ্ন-সময় -- সঞ্চারী


স্বপ্ন দেখার সময় বয়ে গেছে

বয়স পেরোয় মানুষ হাজার-লাখো;

দুহাত দিয়ে জামার পকেট খোঁজা

হাতড়াতে হাতড়াতে

আশাও পেরোয় নড়বড়ে এক সাঁকো।।


আ মোলো বাংলাভাষা -- সুনন্দ


যাদবপুর ৮বি বাসস্ট্যান্ড থেকে বাঘা যতীনের দিকে যেতে সুলেখা মোড় পেরিয়ে ডানদিকে একটা ‘ক্যাফে কফি ডে’র আউটলেট। বিকেলের দিকে প্রায় প্রতিদিনই ফাঁকা থাকে। স্বাভাবিক। অন্তত ইউনিভার্সিটির গড়পড়তা ছাত্র-ছাত্রীরা যে এখানে আসবে না, সেটা বলাই বাহুল্য। হাতখরচের টাকা বেশি খরচ করে খেতেই যদি হয়, তবে সামান্য দূরেই সাউথ সিটি আছে, বৈচিত্র্যের পসরা সাজিয়ে। এখানে আসে প্রধানত প্রেমী-যুগল – হয় ডাক্তারি, নয় ব্যবসার পিতৃদত্ত পয়সার মালিক, নয়তো নতুন প্রেমে পড়া মধ্যবিত্ত ছোকরা – ছোটবেলায় নচিকেতার ‘...মোটা মানিব্যাগ দেখে/ তোমাকে সাইডে রেখে/ দৌড়বে সোজা, সোজা দৌড়বে প্রেম...’ কথাটায় বেজায় ভয় পেয়ে তিনদিন টিফিন না খেয়ে জমানো টাকা উড়িয়ে মেয়েটিকে ইম্প্রেস করবে বলে, নয়তো মধ্যবয়স্কা নারীর দল – সমাজ বা প্যান্টালুন্‌স কিছু একটা উদ্ধার করে শরীর জুড়োতে আসা। এখানেই বসে গম্ভীর মুখে ল্যাপটপ খুলে দেশোদ্ধার করার ভান করছি। আসলে কিন্তু কান পড়ে আছে পাশের টেবিলে ট্যাঙ্ক-টপ আর হোঁৎকা বয়ফ্রেন্ডের অধিকারিণী চটকদার মেয়েটির কথার দিকে।

আজকের লেখার বিষয় এই কফিশপ-বিশ্বায়ন হতে পারতো – ‘আহা আমাদের কফি-হাউসের কি হবে গো!’ বলে চাড্ডি কান্নাকাটি করার সুযোগ থাকতো। দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা কি করে তরুণ সমাজের পকেটের গভীরতায় প্রতিফলিত হয়, সে নিয়ে পাঁচ পাতা প্যাঁচানো যেত। এমন কি ওই হোঁৎকা ছেলেটির ক্রমবর্ধমান মেদপুঞ্জ আসলে কিভাবে মুক্ত-বাণিজ্যের ষড়যন্ত্র আর ষড়রিপুর ফল, সে নিয়েও কিছু বিদ্যে ফলানো যেত – কিন্তু এ সব মাটি করল ওই মেয়েটা। 

প্রথমে খেয়াল করিনি। আধা-ইংরেজি, আধা হিন্দিতে বকবক শুনে ভেবেছিলাম

Amazing Andamans -- Chayan

Vijaynagar Beach Havelock
Your heart fills with delight when after a seemingly unending stretch of blue sea, you finally spot a patch of green from your window. As the flight starts to descend, the designs of the landscape seem to unravel in front of you. Welcome to one of India's best kept secrets- a treasure of sea, sun and sand.

Andaman & Nicobar are a group of archipelagic islands in the Bay of Bengal cast away from mainland India. Of the 572 islands, islets and rocks that constitute the Andaman and Nicobar chain, as little as 36 are inhabited. 

With an aura of dense tropical rain forest across the landscape that is complimented by soft, white sands across the beaches, Andaman boasts of a rich variety of flora and fauna.

Ross Island
Port Blair, the present capital of Andaman, provides an insight into a tortured, colonial history of the "Saza-e-Kalapani" and its transformation into a tourist haven. Ross Island, North Bay Island and Chidiya Tapu are some of the worthwhile destinations that can be accessed from the capital.

About Us | Site Map | Privacy Policy | Contact Us | Blog Design | কথা তো বলার জন্যেই